ময়মনসিংহের ভালুকায় অপহরণের একমাস অতিবাহিত হলেও উদ্ধার হয়নি নারাঙ্গী উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণীর ১০ বছর বয়সী শিক্ষার্থী মারুফা আক্তার তুষী। ঘটনায় শিক্ষার্থীর পিতা ফিরোজ আহাম্মেদ মারুফ বাদী হয়ে একই গ্রামের আব্দুল আলীম কাজল ফকিরের ছেলে রনি মিয়া (২৩) কে প্রধান আসামী করে মোট ছয় জনের নাম উল্লেখ করে ভালুকা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং-১ তারিখ ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং-ধারা ৭/৩০ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০(সংশোধনী২০২০)। ঘটনাটি ২৯ আগষ্ট ২০২৬ তারিখে।
মামলার এজাহার ও পরিবার সূত্রে জানাযায় ওই শিক্ষার্থী স্কুলে যাওয়া আসার পথে প্রায় দিনই একই গ্রামের কাজল ফকিরের ছেলে রনি মিয়া পথ আটকিয়ে নানা ভাবে উত্যাক্ত করতো এবং কুপ্রস্তার দিতো। বিষয়টি ওই শিক্ষার্থী তার পিতা ফিরোজ আহম্মেদ রনির বাবাকে জানালে রনি আরো ক্ষিপ্ত হয়ে ২৯ আগষ্ট স্কুল থেকে আসার পথে জোরপৃর্বক ঊঠিয়ে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া যায়।
শিক্ষার্থীর পিতা ফিরুজ আহম্মেদ জানান তার ১০ বছর বয়সী নাবালিকা মেয়েকে প্রায় এক মাস যাবৎ তুলে নিয়ে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে গেছে। মেয়ে জীবিত আছে নাকি মেরে ফেলেছে আমরা জানিনা। পুলিশ এখনো খুজে বের করতে পারেনি। রনি মোবাইল ফোনে প্রতিদিন তার মামা ইসমাইল হোসেনের স্ত্রী সাথী আক্তারের সাথে কথা বলে। পুলিশ তাকে ধরলেই উদ্ধার করা সম্ভব হতো। আমার পরিবারের সবাই চিন্তিত। তিনি তার মেয়েকে ফেরৎ চান। নারাঙ্গী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুঞ্জুরুল হক জানান মেঞ্জেনা গ্রামের ফিরুজ আহম্মেদের মেয়ে তার স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী রোল নম্বর ১১। সে ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবু রায়হানের নিকট প্রাইভেট পড়ে। প্রাইভেট পড়া শেষে বাড়ী ফেরার পথে অপহর হওয়ার বিষয়টি জানতে পারেন।
মামলার তদন্তকারী পুলিশ পরিদর্শক মোঃ মশিউর রহমান জানান ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে মাসু ও সানি নামে দুই জনকে আটক করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। ভিকটিমকে উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

